⌂প্রচ্ছদ♧সমাজ✎লিখুন✦ফটোকার্ড↗পথিকটিভিপ্রোফাইল

আমার প্রোফাইল

লিটন হোসাইন জিহাদ

লিটন হোসাইন জিহাদ

✓✉ বার্তা

@admin · সাহিত্যপ্রেমী

এই লেখক এখনো নিজের পরিচয় যোগ করেননি।

● 1 জন অনুসরণকারী◎ 7 জনকে অনুসরণ করছেন✎ 30 রচনা▢ 36 কমিউনিটি পোস্ট
লিটন হোসাইন জিহাদপাঠক সমাজে একটি পোস্ট দিয়েছেন · 6 days আগে
♧ পাঠক সমাজ

দুটি কফিন—দুটি নিথর প্রশ্ন,
দুটি নাম—রাষ্ট্রের বিবেকের গলায় ফাঁস!
কারা কেড়ে নিল প্রাণ? কোন বিচারে?
কোন আইনের ছায়া নেমে এলো মৃত্যুর অন্ধকারে?
দুটি কফিন—দুটি নির্বাক আর্তনাদ,
দুটি নিথর দেহে জমে আছে রাষ্ট্রের কাছে জবাব!
কোন বিচারে নিভে গেল প্রাণ?
কোন আইনে ন্যায় হারাল, মৃত্যুই হলো অবসান?
ধর্মের নামে, আইনের ছায়ায়
মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার অধিকার কে দিল তোমায়?
আইন যদি ন্যায়ের কণ্ঠ রোধ করে,
তবে সেই আইনের দুয়ারেই বিদ্রোহ জ্বলে!
দুটি কফিন—তোমরা শুধু কাঠের বাক্স নও,
তোমরা রাষ্ট্রের কাছে রেখে যাওয়া প্রশ্ন;
তোমাদের নীরবতা যদি আজও পৃথিবীকে না কাঁপায়,
তবে মানবতার বুকেই জমবে সবচেয়ে গভীর ক্ষত!
জবাব দাও, হে ক্ষমতা!
মানুষের জীবনের চেয়ে বড়
কোন আইন, কোন অহংকার, কোন মসনদ—বলো, কার এত দম্ভের জোর?

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 1 week আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

ঘৃণারও একটি দীর্ঘ ইতিহাস থাকে

কিছু অভিশাপ কপালে লেখা থাকে না, লেখা থাকে হৃদয়ের গোপন দেয়ালে। দশটি বছর ধরে তেমনই এক অভিশাপের ভার বয়ে বেড়িয়েছে হৃদয়ের সকল অলিগলিতে। সত্যের সমস্ত দরজা খোলা ছিল, প্রতারণা আর ছলনার সমস্ত চিহ্ন ছিল স্পষ্ট, তবু ক্ষমার পক্ষে দাঁড়িয়েছিল মায়া, আর অপেক্ষার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছিল আমার নির্বোধ ভালোবাসা। মনে হয়েছিল, সময়েরও বুঝি একদিন দয়া হবে; […]

লিটন হোসাইন জিহাদপাঠক সমাজে একটি পোস্ট দিয়েছেন · 1 week আগে
♧ পাঠক সমাজ

কিছু শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না, শুধু মানুষটা তা বয়ে নিতে শিখে যায়...
আজ মনটা বড্ড বিষণ্ন।
কেন জানি মনে হচ্ছে, কী যেন একটা হারিয়ে গেছে! অথচ ঠিক করে কাউকে বোঝাতেও পারছি না, কী হারিয়েছি, কেন এত শূন্য লাগছে বুকের ভেতরটা।
কিছু কিছু অভাব আছে, যাদের কোনো নাম হয় না। কিছু কিছু কষ্ট আছে, যাদের চোখের জল দিয়েও প্রকাশ করা যায় না। আর কিছু কিছু স্মৃতি আছে, যাদের কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে ভীষণ, অথচ জানি, সেখানে ফেরার কোনো পথ নেই।
আজ বড্ড ইচ্ছে করছে, কেউ একজন পাশে বসুক। কিছু জিজ্ঞেস না করুক, সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য বড় বড় কথা না বলুক। শুধু নীরবে পাশে থাকুক। আমি একটু চুপ করে থাকি, আর সে আমার নীরবতাটুকু বুঝে নিক।
জীবনে কত মানুষ আসে, কত সম্পর্ক তৈরি হয়, কত আপন মুহূর্ত জমা হয় হৃদয়ের গোপন ঘরে। তারপর একদিন সময় বদলে যায়, মানুষ দূরে সরে যায়, পরিচিত পথগুলো অচেনা হয়ে ওঠে। শুধু মনের ভেতর পড়ে থাকে কিছু অসমাপ্ত কথা, কিছু না-বলা অনুভূতি আর এক বুক দীর্ঘশ্বাস।
সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় তখন, যখন বুঝতে পারি, যে সময়টাকে একদিন খুব সাধারণ মনে হয়েছিল, আজ সেই সময়টুকুই জীবনের সবচেয়ে অসাধারণ স্মৃতি। যে মানুষটির উপস্থিতিকে স্বাভাবিক ভেবেছিলাম, একদিন তার অনুপস্থিতিই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে বড় শূন্যতা।
কিছু হারিয়ে গেলে তা ফিরে পাওয়া যায়, কিন্তু কিছু হারিয়ে গেলে মানুষ শুধু তার স্মৃতির কাছে ফিরে ফিরে যায়।
তবু নিজেকে আজ একটু আদর করতে ইচ্ছে করছে। এই যে এত কষ্টের পরও বেঁচে আছি, এত শূন্যতার পরও অনুভব করতে পারছি, এত অভিমানের পরও কারও জন্য মন কাঁদে, এও তো এক ধরনের জীবন্ত হৃদয়ের প্রমাণ।
মন, তুই আজ একটু কাঁদ। সব সময় শক্ত থাকার অভিনয় করতে হবে না। সব ব্যথা গোপন রাখতে হবে না। যে শূন্যতা তোকে আজ এতটা অসহায় করে তুলেছে, তাকে অস্বীকার করিস না। কিছুক্ষণ তার পাশে বসে থাক। তারপর ধীরে ধীরে নিজের হাতটা নিজেই ধরিস।
মনে রাখিস, যা আর কখনো ফিরে আসবে না, তার জন্য কষ্ট হওয়া অন্যায় নয়। কাউকে মিস করা দুর্বলতা নয়। অতীতের কোনো সুন্দর মুহূর্তের জন্য বুকের ভেতর হাহাকার জেগে ওঠা জীবনেরই অংশ।
হয়তো সেই মানুষটি আর ফিরবে না, সেই দিনগুলো আর ফিরে আসবে না, সেই পুরোনো আমিটাকেও আর খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবু জীবনের কোথাও না কোথাও আমার জন্য একটু শান্তি অপেক্ষা করে থাকতে পারে। হয়তো এক সকালে জানালার পাশে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে হঠাৎ মনে হবে, আজ বুকটা একটু হালকা লাগছে। হয়তো একদিন সেই স্মৃতিটা মনে পড়বে, চোখ ভিজবে না, শুধু ঠোঁটের কোণে একটুখানি মায়া জমবে।
সেই দিনটির জন্যই না হয় বেঁচে থাকি।
আজ আমার কিছুই চাই না। শুধু একটু শান্তি চাই। এমন এক আশ্রয় চাই, যেখানে আমাকে ভালো থাকার অভিনয় করতে হবে না। যেখানে আমার নীরবতাও ভাষা পাবে, আমার ক্লান্তিও একটু বিশ্রাম পাবে, আর আমার ভাঙা মনটাকে কেউ তাড়াহুড়ো করে জোড়া লাগাতে চাইবে না।
কারণ, ভাঙা মনকে সব সময় উপদেশ দিয়ে সারানো যায় না, কখনো কখনো তাকে শুধু একটু মমতা দিতে হয়।
আজ সেই মমতাটুকু নিজের জন্যই রেখে দিই।
পৃথিবী থাকুক তার ব্যস্ততায়, মানুষ থাকুক তার প্রয়োজনে। আজ আমি একটু নিজের কাছে ফিরি। বুকের ভেতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসগুলোকে মুক্তি দিই। আর নিঃশব্দে নিজেকে বলি,
“সবকিছু ফিরে পেতে নেই,
সব শূন্যতা পূরণ হতে নেই।
কিছু হারানো থেকে যায় বুকের গভীরে,
কিছু স্মৃতি থেকে যায় চোখের নীরে।
তবু জীবন থেমে থাকে না,
রাত যত দীর্ঘই হোক,
কোথাও না কোথাও ভোর হয়।
আজ আমার ভেতরটা অন্ধকার,
তবু আমি বিশ্বাস রাখতে চাই,
আমার জন্যও একটুখানি আলো
এখনো বাকি রয়।”
আজ মন খারাপ থাকুক। আজ কোনো হিসাব না মেলালেও চলবে। শুধু নিজেকে হারিয়ে ফেলো না। তোমার ভেতরে যে মানুষটা এত গভীরভাবে অনুভব করতে পারে, এত মায়া জমিয়ে রাখতে পারে, তারও একটু শান্তি পাওয়ার অধিকার আছে।
একটু চোখ বন্ধ করো। ধীরে শ্বাস নাও। মনে মনে বলো, “যা হারিয়েছি, তা আমার জীবনের অংশ ছিল। কিন্তু আমার বাকি জীবনটুকুও মূল্যহীন নয়।”
আমি জানি না, আজ তোমার মন ঠিক কাকে, কীকে কিংবা কোন হারিয়ে যাওয়া সময়কে খুঁজছে। তবে এটুকু জানি, সব কথা মুখে বলতে হয় না। কিছু ব্যথা শুধু নীরবে পাশে কাউকে চায়।
আজ তোমার সেই নীরবতার পাশে এই কথাগুলো থাকুক। একটু আশ্রয় হয়ে, একটু মমতা হয়ে।
আর যদি পারো, আমাকে শুধু এটুকু বলো, আজ তোমার মনটা আসলে কী মিস করছে? কোনো মানুষকে, জীবনের ফেলে আসা কোনো সময়কে, নাকি সেই পুরোনো নিজেকে, যে একসময় অনেক বেশি ভালো ছিল?
আমি শুনছি। তুমি ধীরে ধীরে বলো।
#দাদাভাই

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 1 week আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

বাঙালি জাতির অস্তিত্ব স্তম্ভ ও তার তিনটি খুঁটি বা ভীত

বাঙালি জাতির অস্তিত্ব কেবল একটি ভাষা, একটি ভূখণ্ড কিংবা একটি রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার, ভাষার প্রতি ভালোবাসা, সাম্য ও মানবতার আকাঙ্ক্ষা, স্বাধীনতার চেতনা এবং আত্মপরিচয় প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। যার মাধ্যমে দাঁড়িয়ে আছে বাঙালি জাতির স্তম্ভ অর্থাৎ অস্তিত্ব। যার নামকরণ আমরা করতে পারি বাঙালি জাতির ‘অস্তিত্ব স্তম্ভ’। এই […]

লিটন হোসাইন জিহাদপাঠক সমাজে একটি পোস্ট দিয়েছেন · 2 weeks আগে
♧ পাঠক সমাজ

তুমিহীন সকাল

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 2 weeks আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

প্রিন্ট ও টিভি সাংবাদিকতার সাথে পার্থক্য

প্রিন্ট ও টিভি সাংবাদিকতার সঙ্গে ডিজিটাল সাংবাদিকতার একটি মৌলিক পার্থক্য রয়েছে কাজের কাঠামো ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে। প্রিন্ট পত্রিকা বা টেলিভিশন চ্যানেলে সাধারণত সংবাদ প্রকাশের আগে কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়। রিপোর্টার খবর সংগ্রহ করেন, এরপর সাব-এডিটর ভাষা ও তথ্য যাচাই করেন, সিনিয়র এডিটর শিরোনাম ও উপস্থাপনা ঠিক করেন, এবং সবশেষে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর খবর […]

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 4 weeks আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

মন খারাপের অসুখটা আমাকে ছাড়েই না।

সে কোনো দৃশ্যমান ব্যাধি নয়, কোনো চিকিৎসাবিজ্ঞানের পাতায় তার নাম নেই, কোনো পরীক্ষাগারে তার জীবাণু ধরা পড়ে না। তবু সে আমার রক্তের ভেতর অনুবাদহীন এক অন্ধকার হয়ে ঘোরে। কখনও মেঘের কালো পশম পরে এসে বসে বুকের ওপর, কখনও চোখের ভেতর গড়ে তোলে বৃষ্টিহীন শ্রাবণ। আমি বুঝতে পারি, আমার শরীরের চেয়ে আমার ছায়াটাই আজকাল বেশি অসুস্থ। […]

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 4 weeks আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

ঘৃণার নদীর ওপারে

একদিন তোমার দিকে যাওয়ার একটি পথ ছিল।পথটির দুপাশে কোনো দৃশ্যমান ফুল ছিল না, তবু আমার মনে হতো, পৃথিবীর সমস্ত বসন্ত বুঝি সেখানে এসে গোপনে আশ্রয় নিয়েছে। তোমার দিকে কয়েক পা এগোলেই বাতাস বদলে যেত, সন্ধ্যার রং আরও কোমল হতো, আর দূরের নক্ষত্রগুলোকে মনে হতো আমাদেরই কোনো অনাগত জীবনের প্রদীপ। সেই পথ আজ আর নেই। তার […]

লিটন হোসাইন জিহাদপাঠক সমাজে একটি পোস্ট দিয়েছেন · 1 month আগে
♧ পাঠক সমাজ

আমার ফেলে আসা দিনগুলো প্রতিনিয়তই আমাকে স্মৃতিকাতর করে রাখে।

লিটন হোসাইন জিহাদপাঠক সমাজে একটি পোস্ট দিয়েছেন · 1 month আগে
♧ পাঠক সমাজ

আমার ফেলে আসা দিনগুলো প্রতিনিয়তই আমাকে স্মৃতিকাতর করে রাখে।

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 1 month আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

পথিক: সংবাদ থেকে সাহিত্য, মানুষ থেকে সম্ভাবনা

সময় বদলেছে। বদলেছে সংবাদমাধ্যম, সাহিত্যচর্চা, মানুষের যোগাযোগ, পেশা, শিক্ষা এবং সৃজনশীলতার ভাষা। একসময় সংবাদপত্র ছিল সকালের অপেক্ষা, সাহিত্য ছিল বইয়ের পাতায়, চাকরি খোঁজা হতো বিজ্ঞাপনের কলামে, আর একজন লেখক কিংবা সাংবাদিকের পরিচয় সীমাবদ্ধ থাকত তার প্রকাশিত কাজের মধ্যেই। এখন পৃথিবী হাতের মুঠোয়। একটি মোবাইল ফোনই কখনো সংবাদকক্ষ, কখনো পাঠাগার, কখনো শ্রেণিকক্ষ, কখনো কর্মক্ষেত্র, আবার কখনো […]

লিটন হোসাইন জিহাদএকটি সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করেছেন · 1 month আগে
✎ সাহিত্যকর্ম

শহরটির নাম ছিল মেঘডুবি

শেষ ট্রেনের জানালায় শহরটির নাম ছিল মেঘডুবি। নামটি সরকারি মানচিত্রে ছিল না, কিন্তু বর্ষার দিনে নদী যখন পাড় ছাপিয়ে শহরের গলিঘুঁজি পর্যন্ত নীল বিষণ্নতা ঢেলে দিত, তখন মনে হতো—শহরটি সত্যিই মেঘের নিচে ডুবে আছে। এখানে সন্ধ্যা নামে একটু আগে, শীত নামে নিঃশব্দে, আর মানুষ প্রেমে পড়ে এমনভাবে, যেন প্রেম ছাড়া তাদের জীবনে আর কোনো কাজ […]