বুকে জেগে উঠেছে সুপ্ত আগ্নেয়গিরি,
প্রাচীন মহাকাব্যের প্রলয়ের সুরে
গর্জন তোলেছে ক্রোধ,
নিরীহ মানুষের রক্তে প্লাবিত শহর,
দুঃশাসনের বিষাক্ত শ্বাসে শ্মশান হয়েছে নগর।
মায়ের ক্রন্দন, শিশুর লাশ-
নিরবতার দেয়াল ভেঙে দাও,
বিদ্রোহের মশাল জ্বালিয়ে- গর্জে ওঠো,
বজ্রের ভাষায়!
নদীর মতো রক্ত বয়ে চলুক খুনির দুয়ারে,
অধিকার ছিনিয়ে নাও বিদ্যুৎ-ঝলসানো তলোয়ারে,
ধ্বংস করো লৌহদৃঢ় শৃঙ্খল, জাগাও এক নতুন ভোর!
সেদিন আর দূরে নয়,
এই গলিত সভ্যতা বিস্ফোরিত হবে মহাসাগরের তীরে,
নব জন্ম নেবে এক বিপ্লবী সূর্য,
জনতার বজ্রনিনাদে কেঁপে উঠবে শাসকের সিংহাসন!
তাই বলছি-
হে জননী!
তোমার সন্তানদের আবারো জাগিয়ে তোলো,
শান্তির নামে মিথ্যার মুখোশ টেনে ছিঁড়ো,
সত্যের দীপ্তিতে পুড়ে ছাই হোক জুলুমের মহাকাব্য,
এবার তুমি গর্জে ওঠো, বাজাও বিদ্রোহের রুদ্রবীণা !







মন্তব্য ও আলোচনা