প্রচ্ছদ সমাজ লিখুন ফটোকার্ড দিনলিপি প্রোফাইল

অপেক্ষা

👁️ 2 ভিউ0 শেয়ার💬 1 মন্তব্য

শেজাদি বাড়ি ফিরছিলো। সাধারণত কম দুরত্বের পথে সে পায়ে হাঁটতে পছন্দ করে। অবশ্য এর দুটো কারণ রয়েছে। প্রথমটি হলো হাঁটতে হাঁটতে সে অনেককিছু পর্যবেক্ষণ করতে পারে, বিশেষ করে গাছপালা, সবুজ সমারোহ, জলাশয়।
আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে একজন স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ হিসেবে সে হাঁটাহাঁটির মাধ্যমে নিজেকে সুস্থ সতেজ রাখতে চায়।
অবশ্য কিছু কিছু রাস্তায় অনেক ঝামেলাও পোহাতে হয়। রাস্তার একদিকে জ্যাম,অন্যদিকে ময়লা, আবার ভ্রাম্যমাণ দোকান। কোথাও কোথাও গাড়ি সিএনজি রিকশা দাঁড় করানো থাকে। এমন অবস্থায় হাঁটার মত জায়গা ই পাওয়া যায় না। অথচ, এই সবগুলো ই অনিয়ম। নির্দিষ্ট স্টেশন ছাড়া এভাবে গাড়ি দাঁড়াতে পারে না। হাঁটার অসুবিধে করে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসতে পারে না। কিন্তু নিয়ম কেউ মানে না । আর অনিয়ম কেউ প্রতিরোধ না।
তাই এমন রাস্তায় শেজাদি আর হাঁটে না, এমনকি দুরত্ব অনেক কম হলেও।
কিন্তু যে পথ কিছুটা নিরব, সুন্দর প্রকৃতি ঘেরা সেই পথে সে হেঁটে বেড়ায় অবিরাম।
আজ কিছুটা হতাশা, ক্লান্তি, অপ্রাপ্তি আর অপূর্ণতায় শেজাদির মনে কোনো আমেজ ছিলো না।
হাঁটতে হাঁটতে কিছুটা ক্লান্ত, অতঃপর তার নজর পড়লো অযত্নে বেড়ে উঠা একটা গাছের প্রতি। কি অদ্ভুত সুন্দর বেগুনি ফুল ফুটেছে।
শেজাদি একটু দাঁড়ালো। মনে হলো ফুলগুলো এমন ফুটফুটে রঙ ছড়িয়ে দিয়েছে যেন শেজাদি ওদের একটু না ছুঁয়ে যেতে পারবে না।
ফুলগুলো অনেক উঁচুতে ছিলো, তাই ছুঁতে পারেনি। তবে অনেকটা সময় দাঁড়িয়ে প্রকৃতির স্নিগ্ধ সৌন্দর্য উপভোগ করছিলো। নিমিষেই শেজাদির সব ক্লান্তি দূর হয়ে গেছে।
প্রকৃতি দেখার জন্য শেজাদির রয়েছে অফুরান সময়,,,,
যদিও অনুষ্ঠান, আড্ডা বা আসর এইসবের জন্য শেজাদির খুব একটা সময় হয়ে উঠে না।

পাঠকের মতামত

মন্তব্য ও আলোচনা

1 মন্তব্য
  1. লিটন হোসাইন জিহাদ

    সুন্দর লিখেছেন

    ↩ উত্তর দিন